আমেরিকান সাধারণ গ্রন্থাগার আইন
সরকারি করের দ্বারা পরিচালিত বিনা মানুষের সাধারণ গ্রন্থাগার প্রতিষ্ঠিত হয় ১৮৩৩ খ্রি। নিউ হ্যাম্পশায়ারের পিটিবলরোভটি নিউ হ্যাম্পশায়ারের প্রথম রাষ্ট্রীয় সাধারণ পাঠাগার পাঠাগার আইন পাশ করে ১৮৪৯ খ্রি।

এই আইনে সাধারণ পাঠাগারগুলি পরিচালিত করার জন্য শহর গুলিকে কর ধার্য করার অধিকার দেওয়া হয়। এই ধরনের আইন মাসাচুসেটসে-এ ১৮৫৩ খ্রি. এবং মেইন-এ ১৮৫৪ খ্রি. পাশ হয়। নিউ ইংল্যান্ডের অনেক শহর বিশেষ করে সেলিমাৰ্বি, কানেকটিকাট ও পিটারবোরারেই অঙ্গ্রুশ্রমতাকে পরিচালিত করার জন্যসরকারি অর্থায়নে দেড়পর প্রথম ওতীনর দাবিরার তারিখে পারে ছিল।
খুব সম্ভবত পুরনো প্রভাবশালীগুলি গ্রুপপুন সাধারণ প্রশ্রমের প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল বোস্টনে, ১৮৫৪ খ্রি। উত্তরন অনেক রাজ্যেও প্রশ্রমের আইন পাশ হয়েছিল। সেখানে প্রশ্রমের পরিচালনা করার জন্য প্রশ্রমোকে রাজস্থ সংগ্রহে অধিকার দেওয়া হয়েছিল।
ঊনবিংশ শতাব্দীর মাঝামাঝি রাষ্ট্রীর প্রশ্রমের আইনে প্রশ্রমেের প্রতিষ্ঠান প্রয়োজন হত না, সে দায়িত্ব স্থানীয় কর্তৃপক্ষের ওপই ছিল। বর্তমানে আমেরিকার প্রতিটি রাষ্ট্র সাধারণ প্রশ্রমের আইন-এ জেনে জনবল নিযুক্ত করতে পারে।
যদিও প্রতি রাষ্ট্রের আইনের মধ্যে পার্থক্য থাকতে পারে। কোনো কোনো আইনে সব ধরনের প্রশ্রমের কথা আছে। তবে সব আইনেরই বিনিময়ে প্রশ্রমের পরিষেবা দেবার কথা বলে। প্রশ্রমের উন্নয়ন করতে কেন্দ্রীয় সরকারের অনুদান বিষয়ে ধারাবাহিক আইনের প্রনমনটি হল প্রশ্রমের পরিষেবা আইন ১৯৩৬ এ।
প্রশ্রমের পরিষেবাতে ছোট শহর ও গ্রামে ছড়িয়ে দেবার জন্য এই আইনের সংসরণ করা হয় যে প্রশ্রমের পরিষেবা ও নির্মাণ আইন ১৯৩৬ শারীরিক প্রতিবন্ধীদের জন্য প্রশ্রমের পরিষেবা, প্রশ্রমের নির্মাণ এবং আন্তঃপ্রশ্রমে সহায়তা জন্য প্রশ্রমের পরিষেবা, প্রশ্রমের নির্মাণ এবং আন্তঃপ্রশ্রমে সহায়িতার জন্য অন্যের সংসরণ করে।
এর পর্যালোচনা
সামাজিক প্রশ্রমের থেকে সাধারণ প্রশ্রমগীরের উত্তরন ঊনবিংশ শতাব্দীর শেষ দিক থেকে সংগঠিত হয়েছিল। জেফারসনের দৃঢ় বিশ্বাস ছিল যে, পূর্ণ সচেতন জনগণ ছাড়া কোনো দেশে গণতান্ত্রিক সরকার সুষ্ঠুভাবে কাজ করতে পারে না।
আমেরিকার প্রশ্রমের আন্দোলনের একটি তাৎপর্যপুন বিষয় হল রাষ্ট্র অথবা অসি পরিষদের উদ্বার অনুদান। বস্তুগতভাবে ঊনবিংশ শতাব্দীর শেষ দিক থেকে জনদানকারী উদ্যোগের মারে মানুষের দরিদ্রতাকুতা পুন্লকা করেছে।
প্রশ্রমের আন্দোলন যথেষ্ট জিউটিছে এবং ক্যানিস্টার (১৮৫০-১৯১৯) জনবলকালার অনুদান। ক্যানিঙ যোমন আমেরিকা, কানাডা ও প্রশ্রীতে ২০০০ বছর বেশি প্রশ্রমের নির্মাণের জন্য দান মনস করতে, তখন সাধারণ প্রশ্রমের যথেষ্ট অনুপ্রাণিত হয়েছিল।
ক্যানিডর দৃষ্টিতে অনুপ্রাণিত হয়ে আরও অনেক শিল্পপতি এগিয়ে আসে। মানুষদের দায়ে গড়ে ওঠা প্রশ্রমহার স্বাভাবিকভাবে তাদের দারিদ্রের নামে নামাঙ্কিত হয়েছে, এবং সেগুলোকে ‘স্মৃতি প্রশ্রমহার’ বলা হয়ে থাকে।
প্রথম বিশ্বযুদ্ধ ও তার ফলাফল আমেরিকান সাধারণ প্রশ্রমহারকে উল্লেখযোগ্যভাবে প্রভাবিত করেছে এবং আমেরিকার প্রশ্রমহার সমিতি (ALA) এবং বিশেষে আমেরিকান সৈন্যদের জন্য youth পরিষেবা প্রশ্রমহার প্রতিষ্ঠার ব্যবস্থা করে।
১৯৮৪ সালে যথেষ্টর সাধারণ প্রশ্রমহার সমাজসেবার বিশ্বস্ত প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়। এ বিষয়ে আমেরিকার প্রশ্রমহার সমিতির অবদানও গুরুত্বপূর্ণ।
১৯৩০-এদশক দশকের আমেরিকান প্রশ্রমের ব্যবস্থার উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন দেখা যায়। বিখ্যাত আর্থিক মন্দা দেশে লক্ষ লক্ষ বেকার সৃষ্টি করে। তাদের ক্ষমতায়ন কাজ করার, অর্থাৎ শ্রমের বিনিময়ে বাজারে পুনঃপ্রবেশ ইচ্ছায় স্বশিক্ষার মাধ্যমে পেশাগত শিক্ষা বৃত্ত করার জন্য আমেরিকানবাসীর প্রশ্রমহার ব্যবহারের মাত্রা বেড়ে যায়।
আমেরিকার সাধারণ প্রশ্রমহার ‘জনগণের জন্য অন্যান্য অধিকারের’ অধিকার হিসেবে নিজেদের গড়ে তোলে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরা সময় জুড়ে এবং মাক্কার্থির যুগ ১৯৫০-এর দশক হয়ে বর্তমানকালেও এই দৃষ্টিভঙ্গির বজায় আছে।
সংসদ গ্রন্থাগার, জাতীয় গ্রন্থাগার আমেরিকার গ্রন্থাগার আন্দোলনের বিভিন্ন দিক নেতৃত্ব দিয়ে গতি সঞ্চার করে। ১৯৭০ সালে একটি আইন পাশ করে National Commission of Libraries and Information Science (NCLIS) সূচি করা হয়।
১৯৮৭ সালে NCLIS-এর দীর্ঘমেয়াদী কার্শূতি, Towards a National Program for Library and Information Services : Growth for Action প্রকাশ করা হয় এবং ১৯৮৯ সালে উদ্বেশ্যক্রমে, White House Conference of Library and Information অনুষ্ঠিত হয়।
সাধারণ গ্রন্থাগারের বিষয়ে নিবন্ধের উৎকর্ষ বাড়াতে আমেরিকার অধিবাসীরা স্বতৈদ্য চেষ্টার কোনো ত্রুটি করেননি। আমেরিকার সাধারণ গ্রন্থাগার এক চূড়ান্ত উন্নত অবস্থায় পৌঁছেছে।
ব্রিটিশ ও আমেরিকা সাধারণ গ্রন্থাগার আইনের তুলনামূলক পর্যালোচনা:
প্রথম,- ব্রিটিশ ও আমেরিকার সাধারণ গ্রন্থাগার ব্যবস্থা মূলত একই রোকমের ই এই অর্থে যে, উভয়ক্ষেত্রেই তাদের প্রয়োজনীয় ব্যয়ভার মূলত স্থানীয় কর্তৃপক্ষের দ্বারা নিরান্বয় হয়ে থাকে। তাদের মধ্যে অবশ্য অমিলও আছে।
ব্রিটেনে সাধারণ গ্রন্থাগারগুলি সংসদের পাশ করা ধরাধারাধিক আইন অনুযায়ী স্থানীয় কর্তৃপক্ষের দ্বারা প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল, আমেরিকার গ্রন্থাগারগুলি রাষ্ট্রীয় আইনের দ্বারা প্রতিষ্ঠিত এবং বিভিন্ন রাজ্যের আইনের ভিন্ন ধরনের।
দ্বিতীয়ত,- আমেরিকার স্থানীয় কর্তৃপক্ষের নিয়ন্ত্রণরেখায় বাইরে থাকা গ্রন্থাগারগুলি সাধারণ গ্রন্থাগারের বক্সবারী উন্নত সংগে ধান্যিতভাবে জটিল এবং দীর্ঘদিন ধরে এসবের সংশ্লিষ্ট গ্রন্থাগারগুলিও সাধারণ গ্রন্থাগারের মতো কাজ করে চলেছে; কিন্তু দ্রুত ব্রিটেনের গ্রন্থাগারকারিতা স্বাধীন ও পৃথক।
আমেরিকার পৌর দায়িত্ব বহন করে এবং নাগরিকদের প্রতি দায়বদ্ধ পালন সাধারণ গ্রন্থাগারের পরিকল্পনা আধুনিক এবং তুলনামূলকভাবে অতি সাম্প্রতিককালে একখা গতিময় ও বৈচিত্র্যময় হয়েছ।
তৃতীয়ত,- ব্রিটেনে গ্রন্থাগারিকারা পাঠকদের পরিবেবা দিয়ে থাকেন, এবং সমাজে সেটা যেমন ভূমিকাই পালন করুক না কেন, তাতেই তারা সন্তুষ্ট। কিন্তু আমেরিকার গ্রন্থাগারিকাদের লক্ষ্য হল, “to reach and bring in.”
তাই বলা হয়, আমেরিকার গ্রন্থাগার শিশু, শারীরিক প্রতিবন্ধী, বয়স্ক শিক্ষাসুচি ইত্যাদি ধরনের কার্যসূচির সঙ্গে উদ্দেশ্যমূলক ও কার্যকরভাবে দূরে। দেশের জনগোষ্ঠীর সামাজিক জীবনের সংগে তাদের দৃঢ় যোগ স্থাপিত হয়েছ।