ব্রিটেনে গ্রন্থাগার আন্দোলনের উন্নয়নের অনেক পর্যবেক্ষণ ও প্রতিবেদনের ভূমিকা আছে। কিন্তু
বেশিরভাগ ক্ষেত্রে সেগুলি কোনো-না কোনো সরকারি কমিটি এবং কিছু কিছু ক্ষেত্রে কোনো ব্যক্তির কাজ।
ব্রিটেনের গ্রন্থাগার অগ্রগতি নিম্নলিখিত পর্যবেক্ষণ ও প্রতিবেদনের ফল বলা যেতে পারে :

সিলেক্ট কমিটির প্রতিবেদন :
সিলেক্ট কমিটির প্রতিবেদন ১৮৫০ সালের সাধারণ গ্রন্থাগার আইনের পথ সুগম করেছিল। কিন্তু অনেক
দরকারি বিষয়ে তাদের মতামত ছিল সীমিত এবং কিছু কিছু বিষয়ে ত্রুটিপূর্ণ।
১৯১৫ সালের আদমের (Adam) প্রতিবেদন :
বেসরকারী ক্ষেত্রে জনগণের উপকারের দিকে লক্ষ্য রেখে আদমকে প্রতিবেদন পেশ করতে বলা হয়েছিল।
যতদূর জানা গেছে এন্ডুর কার্নেগী (১৮৩৫-১৯১৯) গ্রন্থাগার বিষয়ে সবচেয়ে বড় দাতা।
স্কটল্যান্ডে তাঁর জন্ম এবং আমেরিকায় তিনি প্রতিষ্ঠিত। তিনি ছিলেন একজন মস্ত ব্যবসায়ী, শিল্পদ্যোক্তা, আবিষ্কারক ও ধর্মপ্রাণ ব্যক্তি। ইংল্যান্ড ও ওয়েলসেস-এর ২০টি শহর, স্কটল্যান্ডের ৬০টি শহর এবং আয়ারল্যান্ডের ৮৭টি শহর তার কাছ থেকে সাহায্য পেয়েছিল।
১৮১৯ খ্রি. যখন তিনি মারা যান ৩৮০টি লাইব্রেরি সকলের সব তার নাম জড়িয়ে ছিল। ১৮৯৩ খ্রি. কার্নেগীសንযুক্ত রাজ্য ট্রাস্টে giving তৈরি সেই প্রতিষ্ঠানকারদের আরও উন্নত করার জন্য অবদান যুক্ত করেছিলেন। জন্য প্রোপোজালটি এ্যান্ডকাস্টন (১৮২৫-১৯৯৯) যতক্ষণ পর্যন্ত প্রদান করে সাহায্য করেছিলেন।
এর অনুদানের ফলে নানা সমস্যা সত্ত্বেও খুব সহজেই। কার্নেগী ট্রাস্টের সদস্যরা সাধারণত গ্রন্থাগারের সম্প্রসারণের প্রতিবেদন দেবার জন্য W.G. Adams-কে নিযুক্ত করেন। অ্যাডামস জানান যে, ক্যামেরন জন্য একটি বই দ্বারা দেওয়া গ্রহিতার থাকলে উপহার হয়।
অ্যাডামস-এর প্রতিবেদনের ফলে ১৯১৯ সালের পাবলিক লাইব্রেরি আইনের পাশ হয়।
আবার ১৯২৪ সালে কার্নেগী ট্রাস্টের সম্পাদক এম. জে. নিকোলসন সাধারণ গ্রন্থাগার সম্প্রসারনের প্রতিবেদন দেবার
জন্য নিযুক্ত করা হয়।
কেনিন-এর প্রতিবেদন :
১৯২৩ সালের পর থেকে ইংল্যান্ড ও ওয়েলসেস-এর সাধারণ গ্রন্থাগারের যথেষ্ট উন্নতি হয়েছে। এই
সময়ের মধ্যে সাধারণ গ্রন্থাগারের সম্প্রসারণের বিষয়ে প্রস্তাবের অভাব ছিল না। ১৯২৮ খ্রি. শিক্ষা বোর্ড
(ফ্রডরিক কেনিনেনের নেতৃত্বে) ইংল্যান্ড ওয়েলসেস-এর সাধারণ গ্রন্থাগারের বিষয়ে একটি কমিটি গঠন করে।
১৯২৯ সালে কেনিননেনের প্রতিবেদন পেশ করা হয়। গ্রন্থাগার পরিবারnearby সহযোগিতার পরিণত গড়ে তোলে
এই প্রতিবেদনটি আবেদন ছিল খুব। গ্রন্থাগার পরিবারের বিষয়ে সেখানে বিস্তারিত আলোচনা ছিল।
মকলিন কমিটির প্রতিবেদন :
গ্রন্থাগার কমিটির অধিবেশনে সম্পাদক এস. আর. মকলিনসন এবং তার মকলিনসন সংযুক্ত রাজ্যের prey সবকটি সাধারণ গ্রন্থাগার পরিদর্শনের জন্য পরিভ্রমণ করেন এবং তার প্রতিবেদন প্রদান প্রকাশিত হয় ১৯৪২ সালে। মকলিনসন একটি জাতীয় গ্রন্থাগার পরিষেবা (National Public Library Service) প্রতিষ্ঠানের পরামর্শ দেন।
তিনি তাই সাধারণ গ্রন্থাগারের একটি উচ্চস্থানীয় যুক্তরাজ্য তৈরি করার কথা বলেন এবং জোরালোভাবে বলেন যে সেখানে যেখানে যেন এই সময়ে অনেক ছোট ছোট গ্রন্থাগার উপযুক্ত পরিষেবা দেবার মতো আর্থিক সামর্থ্য নেই।
কিন্তু মনে রাখতে হবে, এটি সরকারি প্রতিবেদন ছিল না, এবং সরকার তার কোনো প্রতিবেদন দাখিল করার পরামর্শ দেয়নি। তবু কমিটি বলেছিল কারণ এই প্রতিবেদনটি যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে উঠেছিল। যেমন –
ক. তখনকার যুক্তিকুলিন পরিবেশ যথেষ্ট স্পষ্ট মধ্যে মকলিনসনকে কাজ করতে হয়েছিল।
সায়েন্সের প্রতিবেদন প্রতিবেদনে তাদতকরার স্পষ্ট হয়েছিল।
খ. দ্বিতীয় বিষয়ে হয় এই, সেই সময় একজন তেমন প্রচুর অভিজ্ঞতাসম্পন্ন উচ্চশিক্ষিত পেশাদার গ্রন্থাগারিকের
প্রয়োজন ছিল।
গ. এই প্রতিবেদন দুর্ভাগ্যবশত, সাহেব এবং ওটা গানের পরিচয় ছিল। অন্য অনেক বিখ্যাত প্রতিবেদন
থেকে ব্যতিক্রমী এই প্রতিবেদনটি ছিল আপবসারী।
ঘ. পরিশেষে এই প্রতিবেদনটি অতি মূলবান বলে বিবেচিত হয়েছিল এবং তার অনেকগুলি প্রস্তাবই
সর্দির্ন ধীরে ধীরে কোনো-না-কোনোভাবে বাস্তব রূপায়িত হয়ে চলেছিল।
রবার্টস-এর প্রতিবেদন :
১৯৫৭ সালে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিভন রবার্টস-এর সভাপতিত্বে একটি কমিটি গঠন করে। তাদের কাজ ছিল ইংল্যান্ড ও ওয়েলসেস-এর সাধারণ গ্রন্থাগার পরিষেবার পর্যালোচনা করার বিষয়ে প্রতিবেদন দাখিল করা।
১৯৫৯ সালে প্রকাশিত তাদের প্রতিবেদনটি পেশাদারী সংস্থা ও মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন পায়। কে. সি. হাবিসনের উল্লেখ মতে, এই প্রতিবেদনের মুখ্য প্রস্তাব ছিল, ‘দফতর সঙ্গে গৃহস্থালির পরিষেবা প্রদানের দায়িত্ব স্থানীয় প্রশাসনের পরিকল্পনা প্রণয়ন আইনত বাধ্যতামূলক করা এবং শিক্ষামন্ত্রণালয়ের তত্ত্বাবধানে জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ আবশ্যকীয়’।
এতে বলা হয় শিক্ষামন্ত্রণালয়ের সাহায্যে করায় চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে আইনি এবং অপর্যাপ্ত ওয়ালসেক্সের চাপ ছিল। এরত আরও কয়েকটি পরামর্শ ছিল যেমন, গৃহস্থালির কর্তৃপক্ষ ও আয়োজনসর্বমোট কতজন হওয়া উচিত, কর্মচারীদের উপযুক্ত বৃত্তি, নিয়োগনতবাবে এতে আন্তঃগৃহস্থালির সহযোদ্ধার ব্যবস্থা করা এবং এরহেনর অনেক আরও কিছু।
রবার্টস কমিটির প্রতিবেদনের ভিত্তিতে ভিতি করে ভবিষ্যতের আইনের খুঁটিনাটি সাব্যস্ত করতে থাকে যাতে সহায়তা
করা হয় শিক্ষামন্ত্রীর দুই কার্যকারী দল গঠন করেন। দুটি দলের পৃথক প্রতিবেদন প্রকাশিত হয় ১৯৬২
সালের ডিসেম্বর মাসে।
তারপরে প্রতিবেদনের শিরোনাম ছিল, ‘ইংল্যান্ড ও ওয়েলসেস-এর আন্তঃগৃহস্থালির সহযোগিতা’ এবং ‘ইংল্যান্ড ও ওয়েলসেস-এর সাধারণ গৃহস্থালির পরিষেবা মানদণ্ড’ এসব প্রতিবেদনের ফলে ১৯৬৪ সালের আইনে প্রণয়ন সাহায্য হয়।
পরিপাটি কমিটির প্রতিবেদন :
বিশ্ববিদ্যালয় মন্ত্রী কমিটির অধীন গৃহস্থালির কমিটি অধিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হয় ১৯৬৭ সালে। সেই কমিটির সভাপতি টমাস প্যারিস নামনারনাসরে এর নাম হয়ে এই পরিপাটি প্রতিবেদন। এই প্রতিবেদন একটি ব্রিটিশ
জাতীয় গৃহস্থালির প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব দেওয়া হয়।
সরকার নীতিগতভাবে এই প্রতিবেদন গ্রহণ করে ১৯৭২ সালে প্রিষ্ঠ গৃহস্থালির আইন পাশ হয় এবং ১৯৭৩ সালের এপ্রিল মাস থেকে সেটা কার্যকর হয়। সংযুক্ত রাজে গৃহস্থালির পরিবারের উন্নতিতে এই আইনটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।
পর্যালোচনা
১৮৫০-এর পর প্রথম প্রথম প্রথম সাধারণ গৃহস্থালির উন্নতি ছিল খুবই ধীর গতির। তারপর ১৮৮০ সালের
পর থেকে একেক আইনের কানুনির অনুদান ও গৃহস্থালির সংগ্রহ ক্রমবর্ধমান পেশাদারspedesুলের অনুগ্রহে প্রভাব ই উন্নতি গতি দ্রুত্তর হয়।
১৯৩০ সালের পর থেকে ব্রিডেনের সাধারণ গৃহস্থালির স্বকূলিননের সূচনা হয়। এই সময়ে অধিক সিকিস্তপতা শিথিল হইল, কাটিটি গৃহস্থালির প্রপ্রতিনিধিত হয় এবং জাতীয় কেন্দ্রীয় গৃহস্থালির ও আঞ্চলিক গৃহস্থালির বাস্তবপনারের মাধ্যমে দেশজোটায় সমস্যা প্রণিধায় গুরুত্বর সতজা সঙ্গে কাজ করতে থাকে।
১৯৬০-এর দশকের মাঝামাঝি ব্রিটেনে অধিক সংখ্যক সিনামির কর্তৃপক্ষের উপস্থিতির জন্য গৃহস্থালির উন্নতি কিঞ্চিৎ ব্যাহত হয়। ওতনন ও অধিক সম্পর্কের দিক থেকে ও glyceres অনেক বিচিত্র পদার্থছিল এবং তার ফলে পরিবারের ক্ষেত্রেও অদ্যমানীয় অনেক অসাম্য ছিল।
মেকলভিনের সময় ৬০০-রও বেশি গৃহস্থালির কর্তৃপক্ষ অস্ঠিক ছিল। একবব নতুন আইন, লন্ডন সরকার আইন ১৮৯১, সেজানন গৃহস্থালির ও জাদুর আইন ১৯০৯, এবং আঞ্চলিক পঞ্চায়েত আইন ১৯৭৩, স্থানীয় কর্তৃপক্ষের সংখ্যা সংখ্যা ১৬৭-তে নামিয়ে আনে। এখনো ব্যবস্থার বৈষম্য নয় তা নয় তবে আগের থেকে কম।
১৯৮০ দশকের গোড়ার থেকে বুঝতে দেয়ার জন্য পার্কে যোগান কমিয়ে দেয়া হয়। এবং ১৯৮০ মাঝে মাঝে সময় থেকে পরিষেবার বৈষম্য নজরে আসতে থাকে। তবু অনেক সাধারন গ্রন্থাগার ব্যবস্থা নতুন গৃহ, যান্ত্রিক ও কেন্দ্রীভূত সামগ্রী যোগান ব্যবস্থা ক্যাটালগ ও বন্ধন পদ্ধতির মাধ্যমে উন্নতি করতে থাকে।
সাধারণ গবেষণা পরিষেবায় ধারে বই নেওয়া রেফারেন্সের জন্য অনুশীলন কর বিনামূল্যে হতো এবং এখনো হয়। ১৯৬৪ সালের আইনের কোন কোন ধারাই ফোনগ্রাফ রেকর্ড ও ক্যাসেট ধার করার জন্য গ্রন্থাগার কর্তৃপক্ষ কিছু মূল্য ধার্য করতে পারে। এবং কোন কোন ক্ষেত্রে নিয়ম এখনো প্রচলিত।