নেটওয়ার্কিং কি এবং নেটওয়ার্কিং এর আধুনিক প্রয়োগ (Moder uses of a network) , সাইবার ক্রাইম এর ক্ষেত্র কি করা উচিত ও কি করা উচিত নয় , তা পোষ্টের মাধ্যমে সম্পূর্ণ আলোচনা করা হয়েছে

Moder uses of a network

একটি কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটারে তথ্য আদান প্রদানের প্রয়োজনেই নেটওয়ার্কিং ব্যবস্থার উৎপত্তি। কালের বিবর্তনে একুশ শতকের আধুনিকযুগে মানুষ এখন চারপাশের দুনিয়ার সর্বশেষ তথ্য জানতে, শুনতে ও দেখতে চায়। শুধুমাত্র তাই নয়; প্রয়োজনীয় তথ্য শেয়ার করে পরিচিতদেরও জানিয়ে দেয়।

কম্পিউটারের সজে সম্প্রতি যুক্ত হয়েছে মোবাইল ফোন। ইন্টারনেটের মাধ্যমে পৃথিবীর যে কোনো প্রান্তের খবর, ভিডিও, ছবি, গান ইত্যাদি আমাদের ডেস্কটপ, ল্যাপটপ, পামটপ, ট্যাবলেট অথবা মোবাইল ফোনে পৌছে যাচ্ছে। বর্তমানে নেটওয়ার্কিং টেকনোলজির অনেকটাই আধুনিকীকরণ হয়েছে।

LAN, WAN ও MAN ধারণাকে কাজে লাগিয়ে ব্যবহার হচ্ছে WLAN (Wireless Local Area Network), SAN (Storage Area Network), CAN (Controller Area Network) এবং PAN (Personal Area Network)।

নীচে নেটওয়ার্ক ব্যবস্থার কিছু আধুনিক প্রয়োগ (uses of a network) সম্পর্কে ধারণা দেওয়া হল :

WIFI :

WIFI শব্দের সম্পূর্ণ নাম হল ওয়্যারলেস ফিডিলিটি (Wireless Fidility), IEEE 802.11 স্ট্যান্ডার্ড-এর ওপর ভিত্তি করে এটি নির্মিত। Wifi হল একটি জনপ্রিয় তারবিহীন নেটওয়ার্ক প্রযুক্তি— যা রেডিও তরঙ্গ (Radio wave) ব্যবহার করে অতি দ্রুত ইন্টারনেট ও নেটওয়ার্ক সংযোগ স্থাপন করে। প্রকৃতপক্ষে Wifi অ্যান্টেনা থেকে নির্গত রেডিও সিগনালগুলি ওয়াইফাই রিসিভার দ্বারা গৃহীত হয়।

বর্তমান Wifi সিস্টেমে 54 Mbps পর্যন্ত ডেটারেট হতে পারে এবং 100 ফুট দূরত্ব পর্যন্ত এই নেটওয়ার্ক পরিবেষ্টিত থাকে। ল্যাপটপ, ট্যাবলেট, পামটপ বা মোবাইল ফোন ইত্যাদিতে Wifi ডিভাইস অথবা রাউটার থাকে, যার সাহায্যে সিগনাল রিসিভ করে নেটওয়ার্ক প্রতিষ্ঠিত হয়। তাই এর অ্যাকসেস পয়েন্ট হল অ্যান্টেনা এবং রাউটার- যারা সিগনাল প্রেরণ এবং গ্রহণের মূল উৎস।

ওয়াইফাই ডিভাইস হল একটি অদৃশ্য তার- যেটি কম্পিউটার বা মোবাইলের সঙ্গে অ্যান্টেনাকে যুক্ত করে [এর ফলে সিগনাল আদান প্রদান হয়] সরাসরি ইন্টারনেট প্রতিষ্ঠা করার জন্য। এটি ইন্টারনাল ও এক্সটারনাল দুই প্রকার হতে পারে।

কম্পিউটার বা মোবাইলে ওয়াইফাই ডিভাইস অথবা রাউটার ইনস্টল না থাকলে সেই কম্পিউটার বা মোবাইলে Wifi কাজ করে না । বর্তমানে ডেস্কটপ, ল্যাপটপ, ট্যাবলেট ও পামটপ ও অন্যান্য আধুনিক কম্পিউটার ও মোবাইলকে ইন্টারনেটের সঙ্গে যুক্ত করতে 3G বা 4G পকেট Wifi রাউটার ব্যবহৃত হচ্ছে।

তবে Wifi-এর ক্ষেত্রে নিরাপত্তা একটি বড় সমস্যা। তাই বর্তমানে অপেক্ষাকৃত ভাল এনক্রিপসন (encryption) প্রযুক্তি ব্যবহার করে এই সমস্যা দূর করার চেষ্টা চলছে।

Wifi-Hotspot :

Wifi-Hotspot হল একটি বিশেষ ও নির্দিষ্ট এলাকা-যার আওতায় থাকা অবস্থায় একাধিক ডিভাইস Wifi এর সুবিধা নিতে পারে। একটি ইন্টারনেট কানেকশনে অ্যাকসেস পয়েন্ট (access point) ইনস্টল করে Wifi-Hotspot তৈরি করা হয়। এই অ্যাকসেস পয়েন্ট তারবিহীন সিগনালকে নিকটবর্তী দূরত্বে প্রেরণ করে।

সাধারণ Hotspot দ্বারা 300ft. পর্যন্ত দূরত্ব পরিবেষ্টিত হয়। এটি মূলত Router-এর রেঞ্জ-এর উপর নির্ভরশীল। কখনো কিছু ডিভাইস বা স্মার্ট ফোন Hotspot হিসেবে কাজ করে। যখন একটি ওয়াইফাই এনাবেল যন্ত্র যেমন স্মার্ট ফোন বা ল্যাপটপ Hotspot পরিবেষ্টিত অঞ্চলের মধ্যে প্রবেশ করে তখনই যন্ত্রটি এটী পাবলিক বা কিছু কিছু ক্ষেত্রে পারসোনালি ব্যবহার-এর জন্য এক্সক্লুসিভ VPN পদ্ধতিতে যাকে Virtual Private Network বলে] Hotspot ব্যবহৃত হয়।

মানুষের সমাগম যেসব জায়গায় বেশী, যেমন এয়ারপোর্ট, হোটেল, কলেজ বা ইউনিভার্সিটি ক্যাম্পাস, রেল স্টেশন, অফিস ইত্যাদি জায়গায় Hotspot কার্যকরী করে রাখা হয়। যাতে বহু মানুষ ওয়াইফাই-এর মাধ্যমে ইন্টারনেটের সাথে যুক্ত হতে পারে। কিছু ক্ষেত্রে Password-এর মাধ্যমে Hotapot নেটওয়ার্ককে সুরক্ষিত রাখা হয়। এক্ষেত্রে ব্যবহারকারী নির্দিষ্ট Password দিয়ে ইন্টারনেটের সঙ্গে তার ডিভাইসটিকে যুক্ত করে।

File Sharing :

বর্তমানে ফাইল শেয়ারিং বা ফাইল আদান প্রদান পদ্ধতি খুবই জনপ্রিয়। এই পদ্ধতিতে দুটি Wifi Compatible যন্ত্রের মধ্যে স্বতঃ ফাইল আদান প্রদান করা যায়। এই পদ্ধতিতে ফটো, ভিডিও, ডেটা, অ্যাপস ইত্যাদি যে কোনো ফাইল প্রেরণ করা যায়। এই পদ্ধতিতে ফাইল শেয়ারিং পদ্ধতি মূলতঃ Hotspot & Bluetooth-এর মিশ্রণ। তাই এই পদ্ধতিতে ডেটা প্রেরণের হার Bluetooth-এর চেয়ে বেশী হয়।

এটি সব ধরনের ফাইল প্রেরণে সক্ষম। সেই কারণেই ফাইল শেয়ারিং পদ্ধতি বর্তমানে বহুল ব্যবহৃত হচ্ছে। আবার অন্যদিকে থেকে দেখতে গেলে এটি খুবই সুরক্ষিত, কারণ এতে ফাইলের ভাইরাস এফেক্টেড হওয়ার ভয় নেই। উদাহরণ হিসেবে আমরা Share it ও Xender-এর নাম করতে পারি।

A) Share It :

Share It হল একটি ফ্রি অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম, যার মাধ্যমে দুটি Wifi-Compatible যন্ত্রের মধ্যে স্বতঃ ফটো, ভিডিও, অ্যাপস বা যে কোনো ফাইল আদান প্রদান করা যায়। বর্তমানে প্রায় 30টি ভাষায় এই অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম কাজ করে। এটি প্রথম 2012 সালে চীনে ব্যবহৃত হয়। এই নেটওয়ার্কের মাধ্যমে রেডিও সিগনাল রূপে ডেটা প্রেরণ করা হয়। এরফলে অতিদ্রুত এবং সুরক্ষিত ভাবে ডেটা প্রেরণ সম্ভব।

B) Xender :

Xender হল একটি ফ্রি অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম যার সাহায্যে দুটি স্মার্ট ফোনের মধ্যে যোগাযোগ প্রতিষ্ঠা করে বিভিন্ন রকম ফাইল যেমন-ফটো, অডিও, ভিডিও ইত্যাদি আদান প্রদান করা যায়। এছনও পর্যন্ত চারটি অপারেটিং সিস্টেমের উপর এই অ্যাপ্লিকেশনটি কাজ করতে পারে, যথা- Android, los, Windows এবং Tizent।

এই অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামটি ২২টি ভাষায় ব্যবহার করা যায়। ২০১২ সালে এই অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম প্রথম চীনে তৈরী হয়। এই অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামটি Wifi-এর সাহায্যে সরাসরি দুটি বা তার অধিক স্মার্ট ফোনের মধ্যে যোগাযোগ প্রতিষ্ঠা করে।

যে টেকনোলজির সাহায্যে যোগাযোগ প্রতিষ্ঠিত হয় তাকে Wifi-direct বলে। Wifi direct-এ ফাইল আদান প্রদানের গতি Bluetooth থেকে প্রায় ৫০ গুণ বেশি। এই পদ্ধতিতে রেডিও সিগন্যালের মাধ্যমে তথ্যের আদান প্রদান ঘটে।

Bluetooth :

Bluetooth হল একটি Wireless Technology- যার দ্বারা মূলতঃ দুটি নির্দিষ্ট ডিভাইসের মধ্যে স্বল্প দৈর্ঘ্যের নেটওয়ার্ক সংযোগ স্থাপন করে ডেটা আদান প্রদান করা হয়।

Bluetooth-এর দ্বারা স্থাপিত নেটওয়ার্ক হল low power consuming নেটওয়ার্ক । এক্ষেত্রে ডেটা মূলতঃ একই সময়ে একই দিকে যেতে পারে। এই নেটওয়ার্কে খরচ অনেক কম এবং এটি Personal Area Network বা PAN এর অন্তর্ভুক্ত।

এক্ষেত্রে একই সময়ে নিকটবর্তী একটি ডিভাইসের সাথেই (সাধারণত স্মার্ট ফোন) সংযোগ স্থাপন করা সম্ভব, তথ্য প্রেরনের হার যথেষ্ট কিন্তু দুরত্ব বেশী হলে এই টেকনোলজি কার্যকর হয় না।

Bluetooth এর মাধ্যমে DOC, Picture, Audio, Video ইত্যাদি ফাইল পাঠানো যায়। Bluetooth-এর অফিসিয়াল ওয়েবসাইট দ্বারা জানা যায় ১৯৯৪ সালে এরিকসন কোম্পানির ইঞ্জিনিয়াররা Bluetooth Technology প্রথম ব্যবহার করেন।

Google Application :

নীচে বিভিন্ন ধরনের google application সম্পর্কে আলোচনা করা হল:

(i) You Tube :

You Tube হল একটি আমেরিকান ভিডিও শেয়ারিং ওয়েবসাইট যার মাধ্যমে সারা বিশ্বের কোটি কোটি ব্যবহারকারী নিজেদের ভিডিও আপলোড করে সারা বিশ্ব বন্টন করতে পারে। পৃথিবীর যে কোনো প্রান্তের ইউটিউব ব্যবহারকারী ইন্টারনেট সংযোগ ব্যবহার করে সেই ভিডিও দেখতে পায়।

বিভিন্ন ধরনের বিনোদন মূলক বিষয় যেমন : গান, সিনেমা, জোকস, খেলাধুলা অথবা অন্য যে কোনো বিষয়ে ভিডিও তৈরী করে প্রেরক এই ভিডিও ওয়েবসাইট-এ আপলোড করে দেয় এবং গ্রাহকদের সেই ভিডিও পেজ-এর URL বা লিংক পাঠিয়ে দেয়। গ্রাহক সেই লিংক-এ ক্লিক করে ডাউনলোড করে নেয় অথবা লাইভ দেখতে পায়।

২০০৫ সালে Paypal নামক কোম্পানির তিনজন কর্মী এটি প্রথম ব্যবহার করেন। তারা ছিলেন Cad Hurley, Jawed Karim এবং Steve Chen । বর্তমানে অনেক কোম্পানি তাদের প্রোডাক্ট অনেক বেশী ক্রেতার কাছে পৌঁছে দিতে YouTube-ব্যবহার করে থাকে। সে সকল YouTube ভিডিওর সবচেয়ে বেশী দর্শক হয় তা ভাইরাল ভিডিও (Viral Video) নামে পরিচিত।

(ii) E-wallet :

E-wallet বা Electronic Wallet মূলতঃ Virtual Wallet নামে পরিচিত। এখানে প্রথাগত Wallet-এর Paper Notes-এর বদলে টাকা electronic form-এ থাকে। এটি এক ধরনের মোবাইল e-Commerce apps- যার দ্বারা আমরা বিভিন্ন কেনাকাটা Bill Payment ইত্যাদি করতে পারি।

এখানে প্রত্যেকের মোবাইল নম্বর Id হিসাবে ব্যবহৃত হয় এবং প্রেরক ও গ্রাহক ঐ নম্বরের সাহায্যে আলাদা আলাদা ভাবে নির্দিষ্ট ব্যস্তিরা ভালোভাবে জেনে বুঝে transaction করতে পারে। এটি মূলত গ্রাহক ও প্রেরকের মধ্যবর্তী ব্যাংক হিসাবে কাজ করে।

প্রেরক ও গ্রাহক উভয়কেই E -wallet-এ একাউন্ট খুলে তার ব্যক্তিগত ব্যাংক একাউন্টের সাথে সংযোগ করতে হবে। যে কোনো রকম ট্রানজাকসানের সময় প্রেরক E-wallet A/c থেকে টাকা গ্রাহক E-wallet A/c -এ পাঠায়।

এরপর গ্রাহক এই E-wallet থেকে টাকা তার ব্যাংক একাউন্টে পাঠায় এবং ব্যাংক থেকে নগদে টাকা তোলে। এর ফলে টাকা ক্যারি করার প্রয়োজন হয় না এবং খুব সহজেই টাকা আদান প্রদান সম্ভব হয়। খুব জনপ্রিয় E-wallet গুলি হল—Free Charge, Paytm ইত্যাদি।

(iii) E-book এবং E-exam :

বর্তমানে প্রথাগত বই বা লাইব্রেরী ছাড়া ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের কাছে খুবই জনপ্রিয় বিষয় E-book । এতে প্রায় পৃথিবীর যে কোনো লেখকের যে কোনো বিষয়ের বই আমরা সরাসরি পড়তে পারি অথবা ডাউনলোড করে পড়ার জন্য রাখতে পারি।

E-book মূলত Pdf ফরম্যাট-এ (Portable document format) এ পেয়ে থাকি— যার দ্বারা বহু মানুষ ও পড়ুয়ারা বিশেষভাবে উপকৃত হয়।

বর্তমানে E-exam বা online exam দারুণভাবে জনপ্রিয় হয়েছে। বিদেশে এবং বর্তমানে ভারতবর্ষেও বিভিন্ন ইউনিভার্সিটি, কোম্পানি, ব্যাংক, কলেজ এবং চাকরির পরীক্ষাও এখন Online-এর মাধ্যমে নেওয়া হচ্ছে। তাই প্রথাগত কাগজ কলমের আর প্রয়োজন হয় না।

ছাত্র-ছাত্রীরা তাদের Test (পরীক্ষা) মাউসের সাহায্যেই দিতে পারে। খাতা হারিয়ে যাওয়ার ভয় আর থাকে না। Test শেষে Submit করলে উত্তরসহ প্রশ্ন Relevent website-এর Server-এ upload হয়ে যায়।

(iv) Hotel, Taxi অথবা Cab Booking :

ইন্টারনেট-এর মাধ্যমে আমরা হোটেল বুকিং করতে পারি কিছু ওয়েবসাইটের মধ্যস্থতায় বা হোটেলের নিজস্ব ওয়েবসাইটের মাধ্যমে। হোটেলগুলি তাদের নাম, লোকেশন, ফোন নাম্বার, ঘরের ছবি, ঘরের ভাড়া ইত্যাদি ওয়েবসাইট-এ আপলোড করে দেয়। গ্রাহক নিজেদের পছন্দ মতো ঘর বুক করতে পারে।

কিছু ক্ষেত্রে অগ্রিম টাকা ইন্টারনেট বুকিং-এর মাধ্যমে Pay করতে পারি। এমন একটি ওয়েবসাইটের উদাহরণ Il—Trivago.com এতে সারা পৃথিবীর হোটেলের বিবরণ থাকে।

ইন্টারনেটের মাধ্যমে বর্তমানে নিজের বাড়ীতে বসে বা নির্দিষ্ট জায়গা থেকে Taxi পাওয়া যায়। গ্রাহক প্রথমে Taxi সংস্থার ওয়েবসাইট বা অ্যাপ-এর মাধ্যমে GPS পদ্ধতির সাহায্যে তার নিকটবর্তী কোনো Taxi কে পছন্দ করে বুক করে এবং Taxi Driver এই অ্যাপস-এর মাধ্যমে গ্রাহকের বর্তমান লোকেশন-এ পৌছায় পরিষেবা দেওয়ার জন্য। যেমন—UBER, OLA ইত্যাদি।

Train, Bus booking and Live Status : ইন্টারনেট-এর সাহায্যে বর্তমানে যে কোনো স্থান থেকে Train বা Bus-এর booking হওয়ার ফলে মানুষ দারুণভাবে উপকৃত হয়েছে। এর সাথে সাথে এখন কোনো চলমান Train-এর Location, Arrival ও Departure-এর সময়ও জানা যায়। এক্ষেত্রে GPS পদ্ধতি ব্যবহার করে সংশ্লিষ্ট Train-এর গতিপথের আপডেট পাওয়া যায় Indian Railways-এর Official Website এ।

বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গ সরকার সরকারী Bus-এর ক্ষেত্রে একটি ওয়েবসাইট ‘পথসাথী’ চালু করছে যেখানে সমস্ত Bus-এর Location, সিট বা আসন খালি আছে কিনা ইত্যাদি বিষয়ে যাত্রীরা update পাবেন।

Cyber Crime :

বর্তমান পৃথিবীতে ইন্টারনেটের অগ্রগতির সঙ্গে সঙ্গে Cyber Crime খুবই মাথা ব্যাথার কারণ হয়ে উঠেছে ইন্টারনেট ব্যবহাকারীদের কাছে। কিছু অসৎ ব্যক্তি, সংস্থা বা ওয়েবসাইট ইন্টারনেটের সাহায্যে বিভিন্ন উপায়ে ইন্টারনেট ব্যবহাকারীর ব্যক্তিগত তথ্য, ব্যাংক একাউন্টসের তথ্য, গোপনীয় গুরুত্বপূর্ণ ফাইল চুরি করার চেষ্টা করে। তাই Cyber Crime থেকে রক্ষা পেতে আমাদের কি করা উচিত ও কি করা উচিত নয় তা অবশ্যই জানা প্রয়োজন।

কি করা উচিত ও কি করা উচিত নয় :

  • i) কোনো অপরিচিত ব্যক্তি বা ওয়েবসাইটকে Personal অথবা Financial details দেওয়া উচিত নয়।
  • ii) সন্দেহজনক কোনো ফাইল ডাউনলোড করা উচিত নয়।
  • iii) Password প্রয়োগে সচেতন থাকতে হবে অর্থাৎ Passward এমন দিতে হবে যা সহজে Predict করা যায় না এবং Passwordটি Number, Letter ও Symbol-এর সংমিশ্রণ হলে ভাল হয়।
  • iv) ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের নিজের কম্পিউটারে এন্টিভাইরাস ইন্সটল ও নিয়মিত আপডেট করতে হবে।
  • v) অপরিচিত ওয়েবসাইট ভিজিট না করাই ভাল।
  • vi) একাউন্ট Login করার পর অবশ্যই Log-out করা উচিত।
  • vii) সোশ্যাল মিডিয়ার বন্ধুদের থেকে কোনো অপ্রত্যাশিত লিংক-এ ক্লিক বা ফাইল ডাউনলোড করা উচিত নয়।
  • viii) ইন্টারনেট ব্যাঙ্কিং করতে হলে অবশ্যই তা বিশ্বস্ত কিনা খতিয়ে দেখে নেওয়া উচিত।
  • ix) অপরিচিত মেল না খুলে ডিলিট করে দেওয়াই ভাল।
  • x) নিজের কম্পিউটারের Cookies ও History প্রত্যেকদিন ডিলিট করতে হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *